Thank you for Visit bdbugs .There you get more interesting tips and Internet Tricks

Sunday, April 19, 2015

New Cars and the "Green Label"

From July 2005, a new "Green Label" like that shown on this page (click on it for a larger version) has started to appear in car showrooms a fair distance, with most manufacturers having bought the label by September 2005. The label is similar to those that you might have seen whilst looking to buy a new cooker or a fridge that has been used to indicate the device's energy efficiency.

Strictly speaking, the "Green Label" is intended to let the consumer know about the environmental impact that a particular car will have by detailing the amount of Carbon Dioxide (CO2) the car will produce per kilometre. Luckily, these CO2 figures are also a pretty good indication of how fuel efficient a car is - low CO2 levels imply a car that is very efficient. These bands are in step with the new road tax prices too, so you'll be able to see how much tax you'll be paying too - check out the Emissions & Tax page for more information.

For example, if a car is in the highest band A it produces less than 100g/km of CO2 (typical cars in this band are Hybrid cars and the latest super-minis), where as those in the lowest band G will produce over 226g/km of CO2 (typical cars in this band are sports cars and large 4x4s).

To find out what band you car is in, have a look at our What is my MPG? page which will give you information about emissions and tax as well as fuel consumption.

The label also contains some other useful information like the model's official fuel consumption figures in MPG and Litres/100KM - in particular it shows the amount of road tax the vehicle will incur as well as an estimation of the fuel costs for a distance of 12, 000 miles. This figure is based on an annually calculated average fuel cost so it wont give you an exact figure, but its a very good sign.

The manufacturer needs to provide this information - it can either be with the car on display, or available elsewhere at the dealership. If you don't notice, ask for it and the dealership will have to give you the information.

fuel saving tips

Top Tips for better fuel economy

There are a lot of things all of us can do to make genuine fuel economy improvements right now, and for free. Often you'll find a lot of products claiming to be a Silver Bullet, often making outlandish claims that their gadget will not only save you fuel, but also improve horsepower. We're unconvinced.

However, these top 10 tips are tried and tested ideas that really do make a positive difference to your car's fuel economy. So, have a read of these top 10 tips and start making savings immediately!
1 - Drive smoothly
Driving like a Boy-Racer by aggressively accelerating or breaking not only makes you look like a bit of a fool, but it wastes fuel too - up to 60% more in fact! When pulling away from the lights, try to accelerate gently.
2 - Read the trail ahead
When driving, try to look ahead and see the conditions of the road - look out for anything that might require you to slow down or stop such as traffic lights or someone attempting to park. By anticipating what is coming up, you'll not only be a safer driver, but you'll save fuel by beginning to slow down early and not having to come to a stop.
3 : Don't rev the engine!
Ok so it might sound cool, but revving the engine whilst stationary does nothing except waste fuel!
4 - Use the gears sensibly
Some of us have a love-hate relationship with the gear stick, but the fact of the matter is that correct use of gears can make huge savings on your fuel bill all the way to 15%! Make sure you change up into a higher gear as soon as its possible and safe to do so.
5 - Stick to the limit
Easy cowboy! Doing 80mph on the motorway will use between 10% and 20% more fuel than doing 70mph, not to mention its illegal! For a 20 distance motorway journey, driving at 80mph will only save you about 2 minutes compared to driving at 70mph anyway!

If you're not in a hurry to get anywhere, doing 70mph use between 20% and 30% more fuel than doing 50mph : suddenly being stuck behind a lorry doesn't seem so bad!
6 - Check your tyres
Make sure you check your tyre pressures reguarly (at least once every 2 weeks). An under-inflated tyre can increase fuel consumption by 3%, and it will wear out quicker too. Check your owner's manual for the correct pressures.
7 - Don't "warm up" the engine
When starting on those cold days, don't leave your car running to warm it up. It causes unnecessary engine wear, as well as wasting fuel. Instead invest in some decent de-icer and try to drive off straight away - when you can see where you are going!
8 - Avoid short trips
It is so easy to just hop in the car to pop down to the corner shop to pickup your Sunday papers, but a cold engine will generally use doubly much fuel as a warm engine. Walk instead - the exercise will do you good!
9 - Let down the Air Conditioning
Air Conditioning is great in the hot summer months, but only use it when you should and just use the blowers other time - try to avoid opening the windows when driving at speed as this can increase aerodynamic drag which will waste more fuel. Running the air con when you don't need it will waste a lot of fuel.
10 - Keep your car in tip-top condition
Try to keep your car well maintained by making sure the recommended service schedule is followed either by taking it to a reputable garage, or servicing it yourself. A well-tuned engine with fresh, clean oil and new air filters will run more efficiently than an engine that has been neglected.

Wednesday, February 25, 2015

রক্তের গ্রুপ নিয়ে কিছু কথা

বিভিন্ন প্রকারের গবেষণার মাধ্যমে রক্তের গ্রুপের সাথে চারিত্রিক বিশিষ্টের যোগসূত্র খোঁজা হয়েছে।সবক্ষেতত্রে এর মিল না হলেও প্রতিটি গ্রুপের মানুষের কিছু কমন বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়।আর এখানে সে গুলোই তুলে ধরা হলো।আসুন দেখি সেসব বৈশিষ্ট সমূহঃ-------------------------------# ব্লাড গ্রুপ ওঃমোট জনসংখার শতকরা ৩৮ ভাগের রক্তের গ্রুপ “ও পজিটিভ” এবং শতকরা ৬ ভাগ “ও নেগেটিভ”।এই ব্লাড গ্রুপের মানুষ স্বচ্ছ দৃষ্টি সম্পন্ন,গভীর মনযোগী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী,বাগপটু,স্বাস্থ্যবান,বাস্তববাদী,রোমান্টিক এবং অত্যন্ত বুদ্ধিমান হয়ে থাকে।# ব্লাড গ্রুপ এঃ শতকরা প্রায় ৩৪ ভাগ জনগোষ্ঠীর ব্লাড গ্রুপ “এ পজিটিভ” ।“এ নেগেটিভ” ব্লাড গ্রুপের জনসংখ্যা শতকরা ৬ ভাগ। এই ব্লাড গ্রুপের মানুষ গোছগাছ প্রিয়, দক্ষ চাকুরে,তারা আত্মকেন্দ্রিক, সুবিচারক, শান্ত, বিশ্বস্ত,নিয়মানুবর্তিত,পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়ে থাকে।# ব্লাড গ্রুপ বিঃ শতকরা ৯ ভাগ জনগোষ্ঠীর ব্লাড গ্রুপ “বি পজেটিভ” এবং “বি নেগেটিভ” এর ক্ষেত্রে টা মাত্র ২ ভাগ। এরা স্বাধীন চেতা, মনযোগী, মেধাবী, নমনীয়,সরল,দক্ষ,আবেগপ্রবণ,স্বাস্থ্যবান,বাস্তববাদী এবং খুব বেশি রোমান্টিকহয়ে থাকে।# ব্লাড গ্রুপ এ বিঃ শতকরা ৪ ভাগ লোকের রক্তের গ্রুপ “এ বি পজিটিভ” আর মাত্র ১ ভাগ লোকের রক্তের গ্রুপ “এ বি নেগেটিভ” ।এই ব্লাড গ্রুপের মানুষ সাধারনত সুবিবেচক, বুদ্ধিসম্পন্ন,বিবেকবান , হিসেবি, কৌশলী, সৎ, সংবেদনশীল, নিরেট এবং খুব চমৎকার সাংগঠনিক হয়ে থাকে।

এবার সত্যি করে বলুন তো আপনার রক্তের গ্রুপ কি ???

লাল শাকের পুষ্টিগুণ

ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ শাকের মধ্যে লালশাক অন্যতম। লালশাকে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ অন্য শাকের তুলনায় অনেক বেশি। ১০০ গ্রাম লাল শাকে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ রয়েছে ৩৭৪ মিঃ গ্রাঃ যেখানে পুঁই শাকে ১৬৪ মিঃ গ্রাঃ, মূলা শাকে ২৭.৯০ মিঃ গ্রাঃ পালং শাকে ৭৯ মিঃ গ্রাঃ, ডাঁটা শাকে ৮০ মিঃ গ্রাঃ, বেগুনে ২৬ মিঃ গ্রাঃ, বাঁধা কপিতে ৩০.৫ মিঃ গ্রাঃ।ক্যালসিয়াম বাদে লাল শাকে অন্য যে সমস্ত পুষ্টি উপাদান রয়েছে তা হলো- শর্করা ৪.৯৬ মিঃ গ্রাঃ, প্রোটিন ৫.৩৪ মিঃ গ্রাঃ, স্নেহ ০.১৪ মিঃ গ্রাঃ, ভিটামিন বি১ ০.১০ মিঃ গ্রাঃ, ভিটামিন বি২ ০.১৩ মিঃ গ্রাঃ, ভিটামিন সি ৪২.৯০ মিঃ গ্রাঃ, ক্যারোটিন ১১.৯৪ মিঃ গ্রাঃ, অন্যান্য খনিজ ১.০৬ মিঃ গ্রাঃ, খাদ্য শক্তি ৪৩ কিলোক্যালরি। ক্যালসিয়াম দেহের জন্য অত্যন্তদরকারি উপাদান বিশেষ করে দাঁত এবং হাঁড় গঠনে।গর্ভবতী এবং প্রসূতি মাতাদের দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা অনেক বেশি প্রায় ১৫০০-২০০০ মিঃ গ্রাঃ। এ সময় ক্যালসিয়ামের অভাব হলে মা ও শিশুর নানা রকমসমস্যা দেখা দেয়। বাড়ন্ত শিশুর ক্যালসিয়ামের অভাব হলে দাঁত ও হাঁড়ের গঠন ঠিকমতো হয় না ফলেশিশুর দৈহিক গঠন দুর্বল হয় এবং হাঁটাও বিলম্ব হয়। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের লাল শাক খাওয়ার অভ্যাস করা দরকার। ক্যালসিয়ামের অভাবে শিশুদের রিকেটস এবং বয়স্কদের অস্টিও পোরেসিস রোগ হয়। সুতরাং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে অন্যান্য ক্যালসিয়ামযুক্তখাদ্যের পাশাপাশি সস্তা এবং সহজলভ্য লালশাক খাওয়া উচিত।